খেলা

তাকে আলুর বস্তা ভাববেন না!

ফুটবলের মৌসুম শেষ হবে কি না সব জায়গায় এখন সে আলোচনা চলছে। তবে অনেকের মনে এর অনিশ্চয়তায় আটকে না থেকে ভবিষ্যতের চিন্তায় মনোযোগ দিচ্ছেন সবাই। আগামী মৌসুমটা কেমন কাটবে কে কোন দলে যাবেন – এসব আশা নিয়ে বাঁচছেন ফুটবল সংশ্লিষ্টরা। এসব কারণেই দলবদল এর গুঞ্জন পাতা ভারী করে রাখে ইউরোপের সংবাদমাধ্যমগুলোর। এমন একটি গুঞ্জনে অবশ্য একটু ক্ষেপেই গেলেন ইভান রাকিতিচ। তার ব্যাপারে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য দেখে সরাসরি বলে দিয়েছেন, আলুর বস্তা ভেবে তাকে ছুড়ে ফেলার চেষ্টা করা ঠিক হবে না। 

চলতি মৌসুমে বার্সেলোনায় অদৃশ্য হয়ে গেছিল রাকিচিত। ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার বিক্রি করে দেবে ক্লাব এমনটাও শোনা গিয়েছিল । তারপর অবশ্য ধীরে ধীরে আরও দলের পরিকল্পনায় ঢুকে পড়েন রাকিচিত। কিন্তু করোনাভাইরাস এসে সবকিছু থামিয়ে দিয়েছে। এ অবস্থায় পরের মৌসুম নিয়ে ভাবনা শুরু হয়ে গেছে অনেক ক্লাবেরই। আর বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ৩২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার গুরুত্ব একটু কমই পাচ্ছেন। রাকিতিচের   দলবদলে গুঞ্জন তাই আবার শুরু হয়েছে ভালোভাবেই। 

এসব ব্যাপারে মুন্দো দেপোর্তিভোর এক সংবাদ সাক্ষাৎকারে একটু কড়া কথা শুনিয়েছেন দেশকে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে যাওয়া ক্রোয়াট মিডফিল্ডার ‘ আমি আলুর বস্তা নই’। নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই নির্ধারণ করতে হবে।  আমি সেখানেই থাকবো যেখানে আমার সঠিক মূল্যায়ন করা হবে। সেটা যদি এখন ( বার্সোলোনা) হয়, খুশি। আর না হলে কোথায় যাব সেটা আমি সিদ্ধান্ত নিব।

বার্সেলোনার জার্সিতে চারটি লা লিগ একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর চাইলে নতুন কোন চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন,  সেটা অকপটে জানালেন রাকিতিচ। তবে নিজের চেয়েও বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়েই চিন্তিত মনে হচ্ছে রাকিচিতকে। বিশ্বের কোন ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে সেটার  পূর্বাভাস নাকি ফেব্রুয়ারিতেই পেয়েছিলেন রাকিচিত। তখন কেবল ইটালিতে প্রকোপটা শুরু হয়েছে। তখনকার সেই পরিস্থিতিতেই মনে হয়েছিল এটা ভোগাবে বিশ্বকে। 

যখন নেপলসে  গিয়েছিলাম তখন ইতালিতে এ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল। আমি জাভিকে (দলের চিকিৎসক )বলেছিলাম  এই অবস্থা আরো খারাপ হবে। 

টিভির সঙ্গে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে রাকিতিচ  এই অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায় ওপর জোর দিয়েছেন  তিনি বলেন ‘এখন আমরা একটা কাজই করতে পারি সেটা হল ঘরে থাকা। আমরাঅ তো রাস্তায় বের হতে ইচ্ছা করে কিন্তু সেটা এখন  দরকারি না। আমাদের ঘরে থাকতে হবে। হ্যাঁ সেটা আমার পছন্দ নয় কিন্তু এটাই দরকার এবং গুরুত্বপূর্ণ।’

Show More

Related Articles

Back to top button